| |

কৃষি তহবিল চান অর্থ প্রতিমন্ত্রী

ষ্টাফ রিপোর্টার:  দুর্যোগে কৃষকের ফসলহানির ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আগামী বাজেটে একটি কৃষি তহবিল গঠনের ভাবনার কথা জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান।

আসছে অর্থবছরের বাজেট সামনে রেখে রোববার তেজগাঁয়ে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের সম্মেলন কক্ষে কৃষি খাত নিয়ে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

এমএ মান্নান বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে আছে। সরকার বিদেশিদের দিকে তাকিয়ে না থেকে নিজস্ব তহবিল থেকে মোকাবিলায় কাজ করছে।

“এভাবে ফসলহানি হলে কৃষকরা বাঁচতে পারবে না। তাই একটি কৃষি তহবিলের চেষ্টা করব আমি। এমনকি আগামী বাজেটেই এ তহবিল রাখা যায় কীনা তাও চেষ্টা করব আমি।”

অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধিতে কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি।

সভায় কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি নগদে ফসল কিনে নেওয়া এবং সরকারি উদ্যোগে সংরক্ষাণাগার (গোডাউন) তৈরি কম দামে পণ্য রাখার ব্যবস্থা করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর ইব্রাহিম খালেদ।

তিনি বলেন, কৃষকদের নগদ সহায়তা দেওয়ার জন্য যে এককোটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল সেখানে এখন মাত্র ৪০ লাখ আছে, বাকিগুলো বন্ধ হয়ে গেছে।

“ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে কৃষকদের নগদ সহায়তা দেওয়ার জন্য এগুলোর প্রয়োজন আছে।”

কৃষিবিদ এমএম সালেহের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কৃষিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম।

তিনি বলেন, “স্বাধীনতা উত্তর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাজেটে  কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন খাতে ৩১ ভাগ বরাদ্দ দিয়েছিলেন। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে তা কমে ২৪ দশমিক ২ শতাংশে নেমে এসেছে।”

টেকসই খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতার জন্য তিনি কৃষি খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানান তিনি।

এমএম সালেহ বলেন, “দেশে এক অংকের সুদে ব্যাংক যদি গৃহঋণ দিতে পারে, তাহলে ৪-৫ শতাংশ সুদে কেন কৃষিঋণ দিতে পারবে না।”

তিনি উপজেলা পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের জন্য গাড়ির ব্যবস্থা করার দাবি জানান।