| |

ডোমার পৌরসভার উন্নয়নের জন্য সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে

পাঠকের লেখা:

নীলফামারী জেলার ডোমার পৌরসভার উন্নয়নের জন্য সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। ডোমার পৌরসভাটি ঘোষনা হওয়ার পর থেকে কোন উন্নয়নের ছোয়া পায়নি।

বিশেষ করে মহাজোট সরকার আসার পর শিল্পপতি মনজুরুল ইসলাম দানু পৌর মেয়র হওয়ার পর থেকে পৌরসভাটিতে কোন উন্নয়ন কর্মকান্ড হয়নি। পৌরসভাটির উন্নয়নের জন্য প্রতি বছরে বরাদ্দ এলে ও তা পৌর মেয়র মনজুরুল ইসলাম দানু লুটপাট করে খাচ্ছেন। এখন পৌরসভাটি দেখে মনে হয় না এটি পৌরসভা, দেখে মনে হয় ভাঙাচোরা একটি ছোট চোরাকারবারীর হাট।

এ পৌরসভায় এখন মাদক ব্যবসা হয়, ভেজাল তেলের ব্যবসা হয়, ভেজাল ঔষুদের ব্যবসা হয় ভেজাল সারের ব্যবসা হয় ভেজাল রুটি ও বিস্কুটের ব্যবসা হয় ভেজাল কিটনাশকের ব্যবসা হয়, ভেজাল আইসক্রিমের ব্যবসা হয়, ভেজাল মাছের ব্যবসা হয়,নারীদের নিয়ে দেহ ব্যবসা , অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের মোহরা হয়। এসব ভেজালের অর্থ পৌর মেয়র মনজুরুল ইসলাম দানু ইউএনও সাবিনা সুলতানা,পুলিশ ও অন্নান্য কর্মকর্তা কর্মচারীর মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা হয়।

অপর দিকে এসব পৌরসভার কোটি কোটি টাকার মাদক, ভেজাল সার, ভেজাল ঔষধ, ভেজাল কিটনাশক, ভেজাল বিস্কুট, আইসক্রিম, মাছ, দ্রুত চলে যায় বিভিন্ন অঞ্চলে। পৌর এলাকা ঘুরে জানা যায় পৌর মেয়র মনজুরুল ইসলাম দানুর সাথে আন্তর্জাতিক চুরাকারবারিদের হাত রয়েছে, আর সীমান্ত জুড়ে মাদক বাহিনীও গড়ে তুলেছেন তিনি।

পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথেও হাত রয়েছেন তার। তার কথায় ইউএনও সাবিনা সুলতানা উঠবস করেন বলেও শুনা গেছে। এক শ্রেনীর বিতর্কিত আওয়ামীলীগ নেতার সাথে তার হাত থাকায় বার বার পৌর মেয়র নির্বাচিত হয়ে অবৈধ টাকার পাহার গড়ে তুলেছেন তিনি।

মহাজোট সরকার আসার পর থেকে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য সরকারের উন্নয়ন কাজে নাশকতা করে আসছেন। পৌরসভার উন্নয়ন কাজতো পুরোটাই পুকুর চুরি করে ভাগ বাটোয়ারা করে থাকেন তিনি। তাই মানুষ জন বলেছেন এ পৌরসভার উন্নয়নের জন্য সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে, পাশা পাশি সচেতন নাগরিকেও এগিয়ে আসতে হবে। তাই আসুন আমরা এ পৌরসভাটি একটি আধুনিক সুখি সমৃদ্ধ পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলি। এ প্রত্যাশায়

বরকতুল্ল্যাহ ভদ্র
সাংবাদিক ও কলামিস্ট